কোনো পোশাক তৈরি করতে গেলে প্রথমে সমতল কাগজে পোশাকের যে নমুনা আঁকা হয় তাকে মূল ড্রাফট বলে।
কোনো পোশাক তৈরি করতে গেলে প্রথমে সমতল কাগজে পোশাকের একটি নমুনা আঁকা হয়। একে মূল নকশা বা মূল ড্রাফট বলে। এরপর মূল নকশাকে ভিত্তি করে দেহের মাপ অনুযায়ী সমতল কাগজে যে চূড়ান্ত নকশা আঁকা হয় তাকেই বলে প্যাটার্ন ড্রাফটিং। সফলভাবে প্যাটার্ন ড্রাফটিং তৈরিতে আরাম ও সেলাইয়ের জন্য মূল মাপের সাথে বাড়তি কিছু মাপ যোগ দিতে হয়।
ড্রাফটিং করার অনেক সুবিধা রয়েছে। যেমন প্রয়োজনে পোশাকের ডিজাইন সহজেই পরিবর্তন করা যায়, একই সাইজের অনেক পোশাক একসাথে ছাঁটা যায়, কাপড়ের অপচয় রোধ করা যায়, পোশাক ছাঁটতে সময় কম লাগে, কাপড়ের বাড়তি ছাঁট বা টুকরা দিয়ে ছোটদের পোশাক ছাড়াও ঘরের প্রয়োজনীয় নানা রকম সামগ্রী- ন্যাপকিন, রুমাল, টি কোজি, টেবিল ম্যাট ইত্যাদি তৈরি করা যায় এবং মূল ড্রাফটিংয়ের উপর ভিত্তি করে নানা ধরনের বৈচিত্র্যময় নকশার পোশাক সহজে তৈরি করা যায় ।
Related Question
View Allসমতল কাগজে পোশাকের নমুনা আঁকা হয়।
পোশাক তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো ড্রাফটিং। কোনো পোশাক তৈরি করতে গেলে প্রথমে একটি নমুনা আঁকা হয়। একে মূল নকশা বা মূল ড্রাফট বলে। এরপর মূল নকশাকে ভিত্তি করে দেহের মাপ অনুযায়ী সমতল কাগজে যে চূড়ান্ত নকশা আঁকা হয় তাকেই বলে প্যাটার্ন ড্রাফটিং।
উদ্দীপকে রোজিনা নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুযায়ী কাপড় ছেঁটে শিশুর পোশাকটি উপযোগী করে তৈরি করতে পারতো।
পোশাক সুন্দর ও মানানসই করার জন্য প্রয়োজন সঠিকভাবে দেহের মাপ নেয়া। দেহের মাপ সঠিক না হলে পোশাক পরিধানের উপযোগী হয় না।
রোজিনা প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর তিন বছরের শিশুর জন্য ফতুয়া তৈরি করার জন্য কাপড় কিনে। সে শিশুটির কাঁধের মাপের ১/৩ অংশ, বুকের মাপের ১/২ অংশ মাপ নিয়ে কাপড়টি কেটে ফেলে। পোশাকটি তৈরি করার পর শিশুটিকে ফতুয়া পরানোর চেষ্টা করলে তা গায়ে ঢোকে না। কারণ ফতুয়া বানানোর জন্য প্রথমে পরিকল্পনা অনুসারে কাপড়ের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে। পরে নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুযায়ী কাপড়টি ছেঁটে সেলাই করতে হবে। একটি ৩ বছরের শিশুর ফতুয়া তৈরির জন্য প্রয়োজন ১ গজ কাপড়। ফতুয়া তৈরির সময় পিন দিয়ে কাপড়টি আটকাতে হবে। এরপর নকশা অনুযায়ী কাপড় ছাঁটতে হবে। কাপড়টি ছাঁটার পর পেছনের অংশ আলাদা করে সামনের অংশের বগলের শেইপ ও গলা ছেঁটে সেলাই করতে হবে। তাই বলা যায়, নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুযায়ী কাপড় হেঁটে রোজিনা তার শিশুর পোশাকটি উপযোগী করে তৈরি করতে পারতো।
পোশাকটি তৈরিতে রোজিনার ত্রুটি ছিল।
রোজিনার প্রথম ত্রুটি ছিল যে সে কোনো ড্রাফটিং করে নেয় নি। অথচ যেকোনো পোশাক তৈরির প্রথম ধাপ হলো মূল নকশার পরিকল্পনা করে কাপড়ে ড্রাফটিং করা। এরপর কাপড় ছাঁটাই করা। কাপড়কে সঠিক পদ্ধতিতে ভাঁজ করে তার উপর ড্রাফটিং এর কাগজ রেখে পিন দিয়ে আটকিয়ে নিতে হবে। এরপর নকশা অনুযায়ী কাপড় ছাঁটতে হবে। এছাড়া রোজিনা শিশুটির কাঁধের ও বুকের যে মাপ নেয় তাতেও ত্রুটি ছিল। ৩ বছরের শিশুর ফতুয়ার ক্ষেত্রে কাঁধের মাপের অর্ধেক ও বুকের মাপের ১/৪ অংশের মাপ নিয়ে কাজ করতে হয়। সেলাই করার মধ্যেও তার ত্রুটি ছিল। সে ফতুয়াটি সেলাই করার সময় পাশে কোনো কাপড় রাখে নি। ফলে যখন কাপড়টি গায়ে ঢুকছিল না তা খুলে ঢিলা করার জন্যও কোনো কাপড় ছিল না।
এ সকল কারণ বিবেচনা করে আমি মনে করি, পোশাকটি তৈরিতে রোজিনার ত্রুটি ছিল।
সমতল কাগজে পোশাকের নমুনা আঁকা হয়।
পোশাক তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো ড্রাফটিং। কোনো পোশাক তৈরি করতে গেলে প্রথমে একটি নমুনা আঁকা হয়। একে মূল নকশা বা মূল ড্রাফট বলে। এরপর মূল নকশাকে ভিত্তি করে দেহের মাপ অনুযায়ী সমতল কাগজে যে চূড়ান্ত নকশা আঁকা হয় তাকেই বলে প্যাটার্ন ড্রাফটিং।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!